ব্রেইন ক্যান্সার কি?

0 58

ব্রেইন ক্যান্সার

করোটি গহ্বর অস্বাভাবিক কোষ বিভাজন থেকে ব্রেইন ক্যান্সার হয় যা ইনট্রাকার্ণিয়াল টিউমার নামেও পরিচিত। মস্তিস্কের বিভিন্ন কোষে ম্যালিগন্যান্ট টিউমার, খুলি, করোটিড নার্ভ, পিটুইটারি গ্ল্যান্ড এবং অন্যান্য মেটাস্টাসিস ব্রেইন টিউমার থেকে এই ক্যান্সার হতে পারে। করোটিড গহ্বরে হাড় থাকার কারনে মস্তিষ্কের টিউমারের কারণে ইনট্রাকার্ণিয়াল প্রেসার অত্যন্ত বৃদ্ধি পায় এবং ফলস্বরূপ মাথা ব্যথা, চোখে ঝাপসা দেখা, বমি ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দিতে পারে। বয়সভেদে টিউমারের অবস্থান ও ধরণ ভিন্ন হয়।

মোবাইল এবং কম্পিউটার হতে নির্গত তেজস্ক্রিয় তরঙ্গ, বাহ্যিক বা অভ্যন্তরীণ ভাবে মাথায় অতিরিক্ত আঘাত পেলে অনেক ক্ষেত্রে ক্যান্সার কোষ সক্রিয় হয়ে যেতে পারে অথবা পূর্বে বিদ্যমান টিউমারের আকৃতিও বৃদ্ধি পেতে পারে, দীর্ঘসময় ধরে বিভিন্ন কেমিক্যাল অথবা হেয়ার কালার মাথায় ব্যবহার করলে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। অনেক রোগীর ক্ষেত্রে দেখা যায় পরিবারের কারো ব্রেইন ক্যান্সার ছিল এবং ভবিষ্যতে তারও হয়েছে অর্থাৎ জেনেটিক্যাল কারনেও ব্রেইন ক্যান্সার হতে পারে।

পরিশেষে

ক্যান্সারের শুরুর পাথমিক পর্যায়ে স্ক্রিনিং করে যদি বিষয়টি ধরা পড়ে তাহলে মৃত্যু এড়ানো সম্ভব। যখন ক্যানসারের লক্ষণগুলো প্রকাশিত হয় তখনো চিকিৎসা করে ভালো ফলাফল পাওয়া সম্ভব। সাধারণত ৭টি বিষয়কে ক্যানসারের বিপদ সংকেত বলা হয়। যেমন : খুসখুসে কাশি, ভাঙ্গা কণ্ঠ-স্বর, সহজে যদি ঘা না শুকায়, স্তনে বা শরীরে কোথাও কোনো চাকা বা পিণ্ডের সৃষ্টি হলে, মল ত্যাগের অভ্যাসের পরিবর্তন, ঢোক গিলতে অসুবিধা বা হজমে অসুবিধা, তিল বা আচিলের কোনো সামান্য পরিবর্তন। এই ৭টি বিপদ সংকেতের কথা সাধারণ মানুষের কাছে ব্যাপক প্রচার পেলে অনেক আগে থেকে ক্যানসার প্রতিরোধ করা সম্ভব হতে পারে।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.