ব্লাড ক্যান্সারের লক্ষণ

0 53

ব্লাড ক্যান্সার যা মেডিক্যালের ভাষায় লিউকোমিয়া হচ্ছে রক্ত অথবা অস্থিমজ্জার ক্যান্সার। এতে শ্বেতকণিকার অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিভাজন ঘটে। ব্লাড ক্যান্সারের সুনির্দিষ্ট লক্ষণ ধরা সম্ভব হয় না। একটি মানুষ পুরুপুরি সুস্থ থাকলেও হঠাৎ করে তার ব্লাড ক্যান্সার ধরা পড়তে পারে। অর্থাৎ, অধিকাংশ ক্ষেত্রে রোগী নিজেই বুঝতে পারেন না যে তিনি কত মারাত্মক একটি রোগে আক্রান্ত।

লক্ষণ:

ব্লাড ক্যান্সারের কিছু লক্ষণ হল ঘন ঘন জ্বর হওয়া (এটাই সবচেয়ে কমন), রাত্রিকালীন প্রচুর ঘামানো, প্রচন্ড দুর্বলতা ও অবসাদ, খিদে না থাকা ও ওজন হ্রাস, মাড়ি ফোলা বা খেতে থেলে রক্তক্ষরণ, ছোট কাটাছড়া থেকে অনেক রক্তক্ষরণ, স্নায়বিক লক্ষণ (মাথাব্যাথা), স্ফীত যকৃত ও স্প্লীন, অল্পে ছড়ে যাওয়া, সংক্রমণ হওয়া, অস্থিতে যন্ত্রণা, গাঁটে ব্যাথা, স্ফীত টনসিল ইত্যাদি। লিউকেমিয়ার কোনো নির্দিষ্ট কারন নেই। বিভিন্ন কারণে বিভিন্ন লিউকেমিয়া হতে পারে, সম্ভাব্য কারণগুলো হল প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম আয়ন বিকিরণ, কিছু নির্দিষ্ট রাসায়নিক পদার্থ, কিছু ভাইরাস, জিনগত যা জম্মগত।

ব্লাড ক্যান্সার বা লিউকিমিয়া আছে কিনা সেটা নিশ্চিত করার জন্য কিছু পরীক্ষা করা হয়। যেমন- রক্তের কোষ পরীক্ষা বা CBC এবং বায়োপসি বা হাড়ের মজ্জা পরীক্ষা।

ব্লাড ক্যান্সার বা লিউকিমিয়ার চিকিৎসা নির্ভর করে রোগীর বয়স কত, ক্যান্সারের ধরন, ক্যান্সার ছড়িয়ে গেছে কিনা ইত্যাদি নানান বিষয়ের উপর। চিকিৎসা পদ্ধতির ভেতর আছে কেমোথেরাপি, রেডিও থেরাপি, হাড়ের মজ্জা প্রতিস্থাপন ইত্যাদি। প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে ব্লাড ক্যান্সার বা লিউকিমিয়া সম্পূর্ণ সেরে যেতে পারে কিন্তু ব্যাপারটা সহজ নয়, কারন প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যান্সার ধরা পরাটা প্রায় অসম্ভব। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রোগী বুঝতে পারেন না যে তিনি একটি মারাত্মক রোগে আক্রান্ত।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.