হার্ট অ্যাটাকের চিকিৎসা ও প্রতিরোধের উপায়

0 159

এই রোগের ক্ষেত্রে রোগীকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হবে। কারণ, গবেষণায় জানা গেছে, এইসব রোগের ক্ষেত্রে রোগীর চিকিৎসা একটু দেরি হলেই মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগে তার জন্য আলো বাতাসের ব্যবস্থা করতে হবে। রোগীর জিহবার নিচে একটি নাইট্রেট ট্যাবলেট দিতে হবে। চিকিৎসক প্রয়োজন মনে করলে রোগীর ECG করতে দিতে পারেন এবং অক্সিজেনও দেয়ার ব্যবস্থা করতে পারেন। হার্ট অ্যাটাকের কারণ এবং অবস্থার উপর নির্ভর করে, চিকিৎসক বিভিন্ন শারীরিক পরীক্ষার পরামর্শ দেবেন।

এছাড়া, চিকিৎসক এমন কিছু পদ্ধতির পরামর্শ দেবেন যা ব্যথা উপশম করতে এবং হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধে সহায়তা করে। পদ্ধতিগুলির মধ্যে রয়েছে, এনজিওগ্রাম, অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি, হার্ট বাইপাস সার্জারি, হার্ট ভালভ সার্জারি, পেসমেকার এবং হার্ট ট্রান্সপ্ল্যান্ট, ইত্যাদি।

এই রোগ চিকিৎসার জন্য নির্ধারিত ওষুধগুলোর মধ্যে রয়েছে অ্যাসপিরিন, অ্যান্টিপ্লেটলেট এবং অ্যান্টিকোঅ্যাগুল্যান্টস, পেনকিলার, থ্রোমবোলাইটিক্স, বিটা-ব্লকারস, স্ট্যাটিনস, নাইট্রোগ্লিসারিন এবং রক্তচাপের ওষুধ, ইত্যাদি।

প্রথমে এনজিওগ্রাম করে ব্লকের পরিমাণ নির্ণয় করতে হবে। যদি ব্লক বেশি হয় এবং ওষুধে সমাধান হবে না বলে মনে হয়, তবে এনজিওপ্লাস্টি (Angioplasty) করতে হতে পারে। এছাড়াও, চিকিৎসক প্রয়োজন মনে করলে ওপেন হার্ট সার্জারি বা বাইপাস সার্জারি করতে পারেন।

কীভাবে প্রতিরোধ করবেন?
নিয়মিত স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন আপনার শরীরকে সুস্থ রাখতে পারে।
ক) ধূমপান, মদ্যপান এড়িয়ে চলুন
খ) নিয়মিত শরীরচর্চা করুন
গ) স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখার চেষ্টা করুন
ঘ) বিষণ্ণতা বা স্ট্রেস মুক্ত থাকার চেষ্টা করুন
ঙ) ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল ও রক্তচাপের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করুন
চ) স্বাস্থ্যকর খাবার খান
ছ) নিয়মিত মেডিকেল চেক আপ করান।

রোগনির্ণয় :
হৃদরোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে চিকিৎসক শারীরিক পরীক্ষা করার পাশাপাশি রোগীর চিকিৎসার ইতিহাস পর্যালোচনা করবেন, রক্ত পরীক্ষাও করতে পারেন।
রোগ নির্ণয়ের জন্য যে যে পরীক্ষাগুলো চিকিৎসক করতে দিতে পারেন-
ক) ইকোকার্ডিওগ্রাম
খ) চেস্ট এক্স-রে
গ) করোনারি ক্যাথেটারাইজেশন (এনজিওগ্রাম)
ঘ) কার্ডিয়াক CT বা MRI

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.